তোমার লহমার ঔদার্য আমাকে অনুপ্রাণিত করে
নগ্ন পায়ে হেঁটে পেরিয়ে যেতে জীবনের এই উৎপথ
প্রত্ননগর পাড়ি দিয়ে আমাকেই বার বার তোমার
কাছে পৌঁছাতে হবে লক্ষ লক্ষ যুগের
অন্ধকার পার হয়ে একা?
তোমার মায়া হয়না!
নদী, সমুদ্র পেছনে ফেলে গহীন অরণ্যের
লোমশ অন্ধকারে আমি অবশেষে খুঁজে পাই
তোমার পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ
বাকীটুকু আমার অতিচেনা পথ
একদিন তুমি আমি
জ্যোৎস্না দিয়ে তাম্বুল খেয়ে
হৃদয়ের হ্রদে নাইতে গেছি
এই ঘুলঘুলি পথ বেয়ে,
পৌর্বদেহিক সাঁকো পারাপার করি প্রতিরাতে
পায়ের পাতা, হাঁটু, উরু, কটি, তলপেট বেয়ে
নাভীটাকে আলতো ছুঁয়ে প্রায়ই পৌঁছে যাই
পাঁজরের ঘেরাটোপে কাঁঠালিচাপার সুবাসটাকে ছুঁই,
এখানেইতো ছিল শিল্পের প্রশস্ত পতিত ভুঁই!
আজ কিছু নেই পাঁজরের তলে শুন্য গহ্বর ছাড়া
আমার ঠিক মনে নেই, তুমি মনে করে বলতো মন!
ওখানে হৃদপিণ্ড ছিলো না কি কোনদিন? তুমি ভুলেছ
যদি আমিও ভুলি, কোনদিন ভুলবে না কাপ্তাই হ্রদ,
ভুলবেনা পেডাটিংটিং সেই সব সুখরাঙা দিন
ওরা মানুষের মত স্মৃতিভ্রষ্ট নয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন