অনুক্ষণ অকারণ, চৈত্র বৈশাখ অথবা আষাঢ় শ্রাবণ
শীতের শেষে একে একে ঝরে গেলো পুরোনোরা সব,
বসন্তের শুরুতে আবারও নতুন বেশ, নতুন পাতা,
তুমি কি বৃৰ, এভাবে মাথার উপরে বিস্তার করে রাখো
কেন শাখা-প্রশাখা!
গভীর গোপনে খুব ভালোবাসো বলে
পৌষের নরম সকালে আমি কি রোদ পোহাবো না?
বৈকালিক আঁধারে মেলে রাখো কেনো সকরুন চোখ,
চোখ কি তোমার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সবুজ ছাতা?
মায়া মায়া করে কত আর ছায়া দেবে?
একবার বললেই পারো, ভালোবাসি!
শুনবো বলে আমিতো কান পেতে আছি ,
ভাবো, বুঝি বালিকার মন! আসলে এতো দীঘির
জল, জলের উপরে তোমারইতো জল ছবি আঁকা
কেনো এত ভয়?
একবার ডুব দিয়ে দেখো তোমাকেই ভালোবেসে
এখানে আকাশ কি রকম নীল, ছুঁয়ে দেখো সেই নীল,
সকলেই জানে, শুধু জান নাই তুমি, অনিবার্য ফাল্গুনে
তোমারই সবুজ আগুনে পুড়িয়েছে পাখা
এই সোনালী আভার চিল।
২০.০২.২০১১
রবিবার, ১২ জুন, ২০১১
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
1 টি মন্তব্য:
এসেছিলাম, বলে গেলাম.... তোমার অন্যান্য লেখার মতই এও দুরন্ত। অনেক হেঁকে-ডেকে মনফসলে এলে, লিখলে অথচ প্রতিমন্তব্যে কই গো? তুমি এতই বুঝি আনমনা?
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন