সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১১

স্মৃতিপুর

মধ্যরাতের বৃষ্টি কার ঘ্রাণ ছড়িয়ে যায়? কার...? কার...?কার ? ঘ্রাণ...? ঘ্রাণ...? ঘ্রাণ? রিন রিনে একটা মিষ্টি সুর, নহলী শিকারী চিলের মত ছোঁ মেরে হাতে তুলে নেয় মুঠোফোন, হাত বুঝি অবিশ্বাস করছে মস্তিস্ককে, একবার নয় পাঁচবার এসেছে একই বার্তা, এটি একটি প্রত্নভাষা অনুবাদ করতে হলে বৃষ্টি চাই, অঝোর বৃষ্টি, চাই মধ্যরাত, তাইকি অঝোরে ঝরছে মধ্যরাতের আকাশ! নখের আচড় পড়ে বিস্মৃতির জঞ্জালের স্তুপে। খোলা জানালা দিয়ে জলের ঝাপটা এসে ভিজিয়ে দিচ্ছে পায়ের পাতা, শাড়ীর পাড়, অন্ধকারে চিকচিক করছে জল, বুকের ভেতর ছলকে পড়ে সেই জল ছলাৎ ছল, ছলাৎ ছল, বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা হয় কপালে, বিস্মৃতির জঞ্জাল ধুয়ে গিয়ে বেরিয়ে পড়ে অন্যজন্মের শিলালিপি, বংশীয়াল! কোথায় তুমি? তোমার বাড়ীর ছাদে ফুলের ভারে কি নুয়ে পড়েছে স্নানমগ্ন কদমের ডাল! মধ্যরাতের বৃষ্টি এমন অর্থবহ করে তুলবে আমার কাছে তুমি ছাড়া আর কে?

কোন মন্তব্য নেই: